লাভলি মৈত্র

প্রার্থী সম্পর্কে: পেশায় অভিনেত্রী, দীর্ঘদিন তৃণমূল নেত্রীর কাছের মানুষ, অভিনয়ের পর্দা থেকে ভোটের ময়দানে সফল বিধায়ক
এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা: রূপা গাঙ্গুলি
ব্যাক্তিগত প্রেক্ষাপট
লাভলি ওরফে অরুন্ধতী মৈত্র নাইন্টিস কিড। ১৯৯০ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর জন্ম। টেলিভিশনের কাজ শুরু করেছিলেন জনপ্রিয়তার শিখরে থেকে। ২০১৩ সালে স্টার জলসার জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়াল জল নুপুর-এ তিনি অভিনয়েরন। এছাড়াও বাংলা সিরিয়াল মোহর ও গুড্ডি-তে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। তার আগে তিনি অভিনয় করেছেন সাত পাকে বাঁধা, সুবর্ণলতা, বিন্নি ধানের খই-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়ালে। এর পরেই তাঁর রাজনীতিতে আসা।
প্রাতঃরাশে পাতে কী?
রুটি-পরোটা।
নেতার প্রিয় অভিনেতা?
শাহরুখ খান।
নেতার প্রিয় গায়ক?
অরিজিৎ সিং।
ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?
সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, লীলা মজুমদার।
রাজনীতিতে প্রবেশ
তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির খুব কাছাকাছি তিনি ছিলেন প্রথম থেকেই। ২০১১ সাল থেকে সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ছিলেন জীবন মুখোপাধ্যায়। তিনি ইতিহাস গবেষক ও স্কুল পাঠ্য বইয়ের লেখক। তিনি দুবারের বিধায়ক ছিলেন সোনারপুরে। এরপর ২০২১ সালে প্রথমবারের জন্য প্রার্থী হন লাভলি। এবার, অর্থাৎ ২০২৬ সালে তিনি আদৌ প্রার্থী হবেন কী না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকেই সোনারপুর দক্ষিণে প্রার্থী করে তৃণমূল।
নেতা যখন ভবঘুরে..
সমুদ্র ।
রঙচঙে নেতা
সাদা ।
সবসময়ের সঙ্গী
মোবাইল ।
কোন নীতিতে রাজনীতিতে
সততা, নিষ্ঠা ।
নির্বাচনী কৌশল ও প্রচার
লাভলি বলছেন, প্রতিপক্ষ যে থাকুক, লড়াই আসলে কোন ব্যক্তির সঙ্গে সেটা বড় কথা নয়, আসল কথা হল তৃণমূলের উন্নয়ন। তৃণমূলের উন্নয়নকে সামনে রেখে তিনি এবার ভোটের প্রচারে এগিয়ে যাবেন। পাশাপাশি তাঁর দাবি, সোনারপুর দক্ষিণে তাঁর জনসংযোগ ৩৬৫ দিন, ২৪ ঘণ্টার, তাই ভোট নিয়ে তাঁর বিশেষ চিন্তা নেই।






