তাপস রায়

প্রার্থী সম্পর্কে: রাজ্য রাজনীতির দাপুটে নেতা। সত্তরের দশকে রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশ। সোমেন মিত্রর হাত ছেড়ে এক সময়ে তৃণমূলে প্রবেশ। দীর্ঘকাল ঘাস ফুল শিবিরের রাজনীতি করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও। পরে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেন বিজেপিতে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে ভোট লড়েছিলেন। ফের ভোটের ময়দানে ২৬-এ।
এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা: শ্রেয়া পাণ্ডে (তৃণমূল কংগ্রেস)
ভোট-যুদ্ধে তাপস
কংগ্রেস ঘুরে, তৃণমূলে এসে, ভোট লড়েন বিধানসভা নির্বাচনে। ২০০১ সালে বড়বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হন। পরে, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১, তিনবার বিধায়ক হন বরানগর বিধানসভা থেকে। লড়াই করেছেন পুরসভা ভোটে। লড়েছেন ২৪-এর লোকসভা ভোটেও।
প্রাতঃরাশে পাতে কী?
ওটস।
নেতার প্রিয় অভিনেতা?
উত্তম কুমার।
নেতার প্রিয় গায়ক?
লতা মঙ্গেশকর।
সবসময়ের সঙ্গী
ফোন।
কোন নীতিতে রাজনীতিতে
মানুষের পাশে থাকা, সেবা করা।
রাাজনীতিতে কেন, কবে?
রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে হয় সিনিয়র দাদাদের দেখে। সেই সময় যারা নেতৃত্ব দিতেন, তাঁদের কথা শুনে যুবক তাপসের মনে হয়েছিল, মানুষের উপকার করা যাবে মানুষের সেবা করা যাবে রাজনীতিতে এলেই। সেখান থেকেই রাজনীতির ময়দানে পদার্পণ। ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতি শুরু করেছিলেন। মনোমালিন্য, একাধিবার দল বদলে, সেই রাজনীতির আঙিনায় লড়াই জারি এখনও।
কোন কৌশলে ভোটের প্রচার?
এত বছর ধরে রাজনীতিতে। তাই তাঁর কাছে কৌশল বলে সেরকম ভাবে কিছু রাখছেন না। পুরসভা থেকে বিধানসভা, লোকসভা, সব ভোটের অভিজ্ঞতাই মূলধন। দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি টেকনোলজিতেও ভরসা রাখছেন বিজেপির তুরুপের তাস।






