ফিরহাদ হাকিম

প্রার্থী সম্পর্কে: ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্ব, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ক্রমেই তাঁকে টানে রাজনীতির দিকে। ততদিনে পাড়ায় যে কোনও কারও বিপদে দাঁড়াতে শুরু করেছেন 'ববি'। ধীরে ধীরে রাজনীতির আঙিনায়। ব্লক প্রেসিডেন্ট, স্তাহ্নীয় নেতা ববির পরিচয় মমতার সঙ্গে ১৯৯০ পরবর্তী সময়ে। মমতা ব্যানার্জি তখন যুব কংগ্রেসের দায়িত্বে। ববি এলেন স্টেট কমিটিতে। মমতার হাত ধরেই তৃণমূলে। তারপর কাউন্সিলর, বিধায়ক, মন্ত্রী, ফিরহাদ হাকিম ববি দিনে দিনে বাংলার রাজনীতির চেনা মুখ হলেন।
পাড়ার ববি, বিধানসভার ববি
বয়স তখন কত হবে, ৫-৬! বাবার সঙ্গে ব্রিগেড গ্রাউন্ডে গিয়েছিলেন ইন্দিরা-মুজিবের সভা দেখতে। দিনে দিনে ইন্দিরার নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধ আকর্ষণ করল বালক ববিকে। ধীরে ধীরে রাজনীতিকে বুঝতে চাওয়া। তখনও তিনি কেবল পাড়ার বিপদ-আপদের ববি। সেই ববি পাড়া, ব্লক দিয়ে ঢুকলেন রাজনীতিতে। ১৯৯০ সালে, সাউথ ক্যালকাটা থেকে পার্লামেন্টের প্রার্থী হন মমতা, তখন থেকেই রাজনীতিতে মমতার হাত ধরেন ফিরহাদ হাকিম। কংগ্রেস ঘুরে তৃণমূল, পাড়ার ববি কাউন্সিলর হলেন, বিধায়ক হলেন, শহরের মেয়র হলেন, হলেন মন্ত্রী।
প্রাতঃরাশে পাতে কী?
মুড়ি ও চা ।
নেতার প্রিয় অভিনেতা?
শাহরুখ খান।
নেতার প্রিয় গায়ক?
কিশোর কুমার।
ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?
মমতা ব্যানার্জি।
রাজনীতির বাইরে জীবন কেমন?
ফিরহাদ বলেন, রাজনীতিতে না এলে মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন না। তবে মানুষের জন্য কাজের বাইরেও, একই সঙ্গে নিজের ব্যবসা, কারখানা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
কী বলে ভোট চাইবেন এবার?
ফিরহাদ বলছেন, 'আমাকে বন্দর এলাকার মানুষ বিশ্বাস করে। ওঁরা বলছেন যখন ডাকি তখন পাই তাই এবারেও ববিদাকেই চাই।'
নেতা যখন ভবঘুরে..
সময় পেলেই পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়া ও রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া।
রঙচঙে নেতা
গোলাপি রঙ ভীষণ প্রিয়।
সবসময়ের সঙ্গী
মোবাইল ফোন।
কোন নীতিতে রাজনীতিতে
গান্ধীবাদ ও সুভাষবাদকেই আদর্শ নীতি মেনে চলেছি।






