আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনি মায়ের পরকীয়ার সন্তান। তাই নিজের পিতৃপরিচয় বদলে ফেলতে চান তিনি। এই মর্মেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন এক ব্যক্তি। কিন্তু এক যুগান্তকারী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে যে আইনত তাঁর বাবা হবেন মায়ের স্বামীই। ২৩ বছর বয়সী ওই আবেদনকারী তাঁর জন্ম পরিচয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানালেও শীর্ষ আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। যে ব্যক্তিকে তিনি বাবা বলে দাবি করেন, তিনিও ডিএনএ পরীক্ষায় রাজি হননি।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৮৯ সালে, সেসময় অভিযোগকারীর মা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের এক মেয়ে ও এক ছেলে হয়। ২০০৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় দম্পতির। এরপর মা কোচি কর্পোরেশনে তাঁর ছেলের বাবার নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন। তিনি দাবি করেন, ছেলে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ফল। কর্পোরেশন জানায়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া এই পরিবর্তন সম্ভব নয়। হাইকোর্ট ডিএনএ পরীক্ষার পক্ষে রায় দিলেও, পরীক্ষার আগেই যাঁকে বাবা বলে দাবি করা হচ্ছিল, তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং উজ্জ্বল ভুঁইয়ার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, যখন শিশুটির জন্ম হয়েছিল, তখন তার মা আইনত বিবাহিত ছিলেন এবং দম্পতি পৃথক হননি। তাই আইন অনুযায়ী, শিশুটির জন্মকালে মায়ের স্বামীই তার আইনি বাবা বলে বিবেচিত হবেন। পাশাপাশি যাঁকে আসল বাবা বলে দাবি করা হচ্ছে, তিনিও ডিএনএ পরীক্ষায় রাজি নন। তাই সেই আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।