আজকাল ওয়েবডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ জেলার তিনটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা জঙ্গিপুরের দ্বিতীয়বারের সাংসদ খলিলুর রহমান এবার মসৃণ ভাবে জয় পাননি। লালগোলা এবং জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিরোধী প্রার্থীর থেকে বেশ কিছুটা ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। এই দুর্বলতা নজরে আসতেই তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে দুটি বিধানসভার দলীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত জনসংযোগ বৃদ্ধি করার জন্য। আর জনসংযোগ বাড়াতে আসন্ন দুর্গাপুজোকে এবার হাতিয়ার করতে চলেছেন জঙ্গিপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। শনিবার জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন একটি বৈঠক করেন।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান, রঘুনাথগঞ্জ-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি, সুতি-১ এবং রঘুনাথগঞ্জ-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পুজোর সময় দলমত নির্বিশেষে জাকির হোসেনের তরফে দরিদ্র মানুষদের বস্ত্র প্রদান করা হবে। তৃণমূলের সমস্ত অঞ্চল সভাপতিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী এক মাসের মধ্যে যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে বিধায়কের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা সারা বছরই সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে থাকি। কোনও কারণে লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর বিধানসভা থেকে তৃণমূল লিড পায়নি। আমাদের যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে সেটা আমাকে জানান।
দলের সমস্ত নেতৃত্বকে বলব আপনারা দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে থাকুন। তাদের সমস্যার কথা জেনে সকলকে পরিষেবা দিন’। রঘুনাথগঞ্জ-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌতম ঘোষ বলেন, ‘জঙ্গিপুর বিধানসভা এলাকায় আমরা বিজেপির থেকে মাত্র তিন হাজার ভোটে পিছিয়ে। দলের তরফে এর কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। জাকির হোসেন নির্দেশ দিয়েছেন পুজোর সময় সমস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। প্রায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ পুজোর উপহার পাবেন। রাজ্য সরকারের তরফে ক্লাবগুলোকে ৮৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। জাকির হোসেনও নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কিছু ক্লাবকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন’।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান, রঘুনাথগঞ্জ-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি, সুতি-১ এবং রঘুনাথগঞ্জ-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পুজোর সময় দলমত নির্বিশেষে জাকির হোসেনের তরফে দরিদ্র মানুষদের বস্ত্র প্রদান করা হবে। তৃণমূলের সমস্ত অঞ্চল সভাপতিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী এক মাসের মধ্যে যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে বিধায়কের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা সারা বছরই সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে থাকি। কোনও কারণে লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর বিধানসভা থেকে তৃণমূল লিড পায়নি। আমাদের যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে সেটা আমাকে জানান।
দলের সমস্ত নেতৃত্বকে বলব আপনারা দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে থাকুন। তাদের সমস্যার কথা জেনে সকলকে পরিষেবা দিন’। রঘুনাথগঞ্জ-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌতম ঘোষ বলেন, ‘জঙ্গিপুর বিধানসভা এলাকায় আমরা বিজেপির থেকে মাত্র তিন হাজার ভোটে পিছিয়ে। দলের তরফে এর কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। জাকির হোসেন নির্দেশ দিয়েছেন পুজোর সময় সমস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। প্রায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ পুজোর উপহার পাবেন। রাজ্য সরকারের তরফে ক্লাবগুলোকে ৮৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। জাকির হোসেনও নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কিছু ক্লাবকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন’।












