আজকাল ওয়েবডেস্ক: আবাস যোজনা নিয়ে মাঠে নামলেন রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। মঙ্গলবার তিনি পূর্ব বর্ধমানের রায়না দুই নম্বর ব্লক পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন রায়না দুই নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিডিও এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা তিনি বলেন,  ভারত সরকার চক্রান্ত করে গরিব মানুষদের অসহায় অবস্থা তৈরি করতে চেয়েছে, এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষতির পরিমাণ বিচার বিবেচনা করে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা করে ১১ লক্ষ পরিবারকে বাংলা আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পশ্চিমবাংলায় মোট ৩২ লক্ষ বাড়ি এখনও পর্যন্ত কাঁচা রয়েছে। ২০২২ সালে নভেম্বর মাস নাগাদ সার্ভে করে রিপোর্ট দেওয়ার পরেও চক্রান্ত করে গিয়েছে ভারত সরকার। চক্রান্তের শিকার হয়েছে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে থাকা গরিব মানুষগুলি।

 

 

 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা ভোটের আগে এবং লোকসভা ভোটের সময় বাংলার মানুষকে আশ্বাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার যদি না বাংলা আবাস যোজনা ঘর তৈরির জন্য গরিব মানুষদের ঘর না দেয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে তথা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বাংলার ৩২ লক্ষ পরিবারের পাকা বাড়ি তৈরির আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রথম পর্যায়ে ১১ লক্ষ বাংলা আবাস দেবার জন্য প্রথম পর্যায়ে ব্লক স্তর থেকে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত সার্ভের প্রক্রিয়া চলছে। আর তার জন্যই বিশেষভাবে পরিদর্শনে যান রায়না দুই নম্বর ব্লকের গোতান অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। যেখানে সার্ভে করা হয়েছে তার মধ্যে পাকা বাড়ি ছাড়া অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচাবাড়িগুলোতে বসবাস করছে ঠিক তেমনি পরিবার গুলির নতুন করে সার্ভে করে প্রকৃত দুঃস্থ ও গরিব মানুষেরা যাতে ঘর পায় তথা বাংলা আবাস যোজনা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে তারই পরিদর্শন চলছে। এছাড়াও এই সার্ভে করার পরবর্তী সময়ে সুপার সার্ভে করা হবে আবার নতুন করে। প্রকৃত মানুষগুলি যাতে বাড়ি পায় তার জন্যই বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে তথা সুপার সার্ভে করে পাকাপাকি তালিকা পাঠানো হবে নবান্নে। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি করার জন্য এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা করে প্রথম পর্যায়ে ১১ লক্ষ পরিবারকে দেওয়া হবে।