আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুরেই বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিয়েছে নিম্নচাপ। বৃহস্পতিবার শক্তি বাড়িয়ে তা পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে সাগরদ্বীপ থেকে ৬০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান এই গভীর নিম্নচাপের। দিঘা থেকে ১১০ কিমি পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাংলাদেশের মঙ্গলা থেকে ১৮০ কিমি, খেপুপাড়া থেকে ১৮০ কিমি দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিম দিকে রয়েছে এটি।
নিম্নচাপের কারণে আগামী কয়েকদিনে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। সতর্কতা জারি রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি রয়েছে। শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা রয়েছে। দু'দিনেই দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় প্রবল বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তারপর আরও কিছুদিন দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি ৩১ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। জুন মাসের প্রথম দিনেও উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা।
একই সঙ্গে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপ, প্রবল ঝড় বৃষ্টির কারণে সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়েও। কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর-
উপকূলীয় জেলাগুলিতে গাছের ডাল ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা। পেঁপে, কলার মতো হালকা গাছগুলি উপড়ে পড়তে পারে ঝড়ে।
ক্ষতি হতে পারে মাঠে থাকা ফসল, শাক-সবজির।
জল জমার সম্ভাবনা নিচু এলাকায়। একই সঙ্গে অপোক্ত ঘরের, কাঁচা বাড়ির দেওয়াল ধসে পড়তে পারে ঝড়-জলে।
প্রবল বর্ষণে জল জমতে পারে শহরেও, ব্যাহত হতে পারে যান চলাচল। প্রবল যানজটের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মাঝে মাঝে দৃশ্যমানতা হ্রাস পেতে পারে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলে।
দার্জিলিং, কালিম্পং জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সম্ভাবনা।












