শান্তনু সরকার: দিনকয়েক আগেও চাপড়ামারি জঙ্গলে আগুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। ফের একই ঘটনা। বেশ কয়েকদিন ধরে জলপাইগুড়ি জেলার চাপড়ামারি বনাঞ্চলে লাগাতার আগুনের ঘটনায় পরিবেশপ্রেমী, সাধারণ মানুষ, সকলের মধ্যেই বাড়ছে উদ্বেগ।
আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি জঙ্গলে, গাছে বসবাসকারী পাখি এবং পক্ষীশাবকদের মৃত্যুর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণে বনাঞ্চলের বিভিন্ন পশু-পাখি এবং বন্যপ্রাণী নিরাপত্তাহীনতায় বনাঞ্চলের বাইরের দিকে চলে আসছে। বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ের দিকে চলে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।
এ বিষয়ে পরিবেশপ্রেমী স্বরূপ মণ্ডল বলছেন, ‘বনাঞ্চলে আগুন লাগার ফলে শুধু বন্যপ্রাণীর ক্ষতি হচ্ছে না, বরং মানুষের জন্যও তা বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিভিন্ন হিংস্র পশু প্রাণ বাঁচাতে মানুষের এলাকায় চলে আসছে, যার ফলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে।‘ তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড রোধ করতে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। বনাঞ্চলে আগুন লাগার প্রতিরোধের জন্য প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা জরুরি। বনাঞ্চলে আগুন লাগার ফলে পশু-পাখিদের জীবন সঙ্কটে পড়েছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা।‘
বন্যপ্রাণ শাখার রেঞ্জ অফিসার হিমাদ্রী দেবনাথ ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘বছরের এই সময়ে আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসে। বনের শুষ্ক পাতায় আগুন লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়। দপ্তরের তরফে নজরদারি চলছে। বিশেষ করে স্থানীয় গ্রামবাসীদের সজাগ ও সচেতন করার বিষয়ে প্রশাসন অভিযান চালাচ্ছে।‘












