আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে এমন মহিলারা পুরুষদের তুলনায় উদ্বেগ এবং হতাশায় ভোগেন অনেক বেশি। নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে, ১২৫০ জন ব্যক্তির উপর পাঁচ বছর একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল এই নিয়ে। যাঁদের গড় বয়স ৫০ এর বেশি। এরা সকলেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট -এর সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ছিলেন । এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পাঁচ বছরের পরে অনেক পরিবর্তন দেখেছেন নিজেদের শরীরে।
 
 কার্ডিওভাসকুলার কোয়ালিটি অ্যান্ড আউটকামস অনুযায়ী মহিলাদের মধ্যে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট প্রেসক্রিপশন সুপারিশ হওয়া ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা পুরুষদের মধ্যে প্রতিফলিত হয়নি। আমস্টারডাম পাবলিক হেলথের একজন গবেষক এই নিয়ে জানিয়েছেন যে, এই বৃদ্ধি পাঁচ বছর প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। যদিও এটা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
 
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পরে প্রধান পরিবর্তনগুলি কী কী?
এক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে শারীরিক পরিবর্তনগুলি আলাদা। সাধারণত, পরিবারে রোজগারের হাল ধরেন পুরুষরা। সেক্ষেত্রে কার্ডিয়াক সমস্যার পরেও তাঁকে কর্মক্ষেত্রে একই রকমের পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হয়। বয়ে চলতে হয় মানসিক চাপ। এই জন্যে তাঁদের আয়ু তুলনামূলক ভাবে কমতে থাকে। অন্যদিকে, মহিলারা বেশি বাঁচলেও সারাজীবন উদ্বেগ ও হতাশার শিকার হন। বলছে সমীক্ষা। যদিও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে। কারণ এমন অনেক মহিলারাই আছেন, যাঁদের সংসারের সমস্তরকম দায়িত্ব নিতে হয়।
হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে কী করবেন?
১. নিয়ম করে হাঁটুন। এতে রক্ত সঞ্চালন যথাযথ থাকে।
২. সাঁতার খুব ভাল কার্ডিওভাসকুলার এক্সারসাইজ।
৩. যোগাভ্যাস হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।
৪. জুম্বা করতে পারেন। এই কার্ডিও এক্সারসাইজ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করবে।
৫. সাইকেল চালাতে পারেন।
 
নিয়মিত চেকআপ করতে ভুলে গেলে চলবে না। আর ডাক্তারি পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ঘাম ঝরানো এক্সারসাইজ না করাই ভাল।