নিজস্ব সংবাদদাতা: ২৪ মার্চ, ২০২০! লকডাউনে থমকে গেল দেশ। হাটগাছিয়া অঞ্চলের কিছু মানুষ কর্মহারা হয়ে পড়ল , অন্য অনেক মানুষের মতই । সংসার চলবে কীভাবে? সবাই ছুটল দিদিমণির কাছে। নাম তাঁর অর্পিতা চক্রবর্তী। তখন স্কুল ছুটি। হাটগাছিয়া অবৈতনিক স্কুলের শিক্ষিকা অর্পিতা, সব সময়ই চিন্তায় থাকতেন হাটগাছিয়া অঞ্চলে ধাপার মাঠের বাচ্ছাগুলোকে নিয়ে। ওখানকার বেশিরভাগ বাচ্চাকেই মায়েরা স্কুলে পাঠাতেন মিড-ডে মিলের দিকে তাকিয়ে। লকডাউনে কাজ চলে যাওয়ার পরে ছেদ পড়ল তাতেও। ঠিক তখনই অর্পিতা ভাবলেন প্রায় ১৫০ বাচ্চার দায়িত্ব একা তিনি নেবেন কীভাবে? সব বললেন বন্ধু, ফ্যাশন ডিজাইনার অনুশ্রী মালহোত্রাকে। তাঁর একটি রেজিস্ট্রার এনজিও ছিল, কর্মীদের ভকেশনাল ট্রেনিংয়ের জন্য। এর পরেই দুই বন্ধু মিলে শুরু করলেন ছোটদের মুখে হাসি ফোটানোর এক নতুন যাত্রা। আজকাল ডট ইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ওখানকার শিশুদের কথা জানালেন অর্পিতা চক্রবর্তী।
১৮ বছর হল শিক্ষকতা করছেন অর্পিতা। লকডাউনের সময়, ওই কাজ হারানো মানুষগুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বুঝেছিলেন রোজগার কত বড় বালাই। যাইহোক, বন্ধু অনুশ্রীর হাত ধরে ওই বাচ্চাদের মায়েদের ট্রেনিং শুরু হল। সেলাই , ফ্লাওয়ার প্রিন্ট, মরশুমে কিছু সবজি চাষ, রান্না- সবই। ওদের ফটোশুট হয়। ওদের কাজ বিভিন্ন এগজিবিশনে পাঠানো হয়। ৬ জন শিক্ষিকা আছেন যাঁরা ওদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি গান, আঁকা, শেখান। এছাড়াও, মডার্ন হাই ও লামার্ট হয় স্কুল থেকে ১০-১২ শ্রেণির পড়ুয়ারা আসে ওখানকার খুদেগুলোকে পড়াতে। ১০০ জনের ক্লাসে সাইন্সের প্রজেক্ট ও ইংরাজি শেখানো হয়।
শুধু তাই নয়, অনেক কম বয়সী মেয়ে যাঁরা অল্প বয়সেই বিয়ে করে অন্তঃস্বত্বা তাঁদের পুষ্টিকর খাবার, ফ্রি হেলথ চেকআপের ব্যবস্থা করা হয়.তনুজ ভোকেশনাল ট্রেনিং সোসাইটিতে। গাইনোকোলজিস্ট জয়তী পাল এই বিষয়ে পাশে থাকেন অর্পিতা ও অনুশ্রীর। এছাড়াও, ভাইরোলজিস্ট সুমন পোদ্দার শিশুদের জন্য এখানে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প করেছেন।
এখান থেকে গাইডেন্স পেয়ে অনেকেই ফেসবুকে নিজেদের কেজ করে ব্যবসা করছে। মায়েরা তো স্বনির্ভর হচ্ছেই, সঙ্গে সুস্থ জীবন পাচ্ছে শিশুগুলো। দীপ, পায়েল , সুলোচনা বাউড়িরা রোজগার করছে। ফান্ড কম, তবু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অর্পিতা ও অনুশ্রী, শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে।
ছবি - বিজয়া দত্ত
১৮ বছর হল শিক্ষকতা করছেন অর্পিতা। লকডাউনের সময়, ওই কাজ হারানো মানুষগুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বুঝেছিলেন রোজগার কত বড় বালাই। যাইহোক, বন্ধু অনুশ্রীর হাত ধরে ওই বাচ্চাদের মায়েদের ট্রেনিং শুরু হল। সেলাই , ফ্লাওয়ার প্রিন্ট, মরশুমে কিছু সবজি চাষ, রান্না- সবই। ওদের ফটোশুট হয়। ওদের কাজ বিভিন্ন এগজিবিশনে পাঠানো হয়। ৬ জন শিক্ষিকা আছেন যাঁরা ওদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি গান, আঁকা, শেখান। এছাড়াও, মডার্ন হাই ও লামার্ট হয় স্কুল থেকে ১০-১২ শ্রেণির পড়ুয়ারা আসে ওখানকার খুদেগুলোকে পড়াতে। ১০০ জনের ক্লাসে সাইন্সের প্রজেক্ট ও ইংরাজি শেখানো হয়।
শুধু তাই নয়, অনেক কম বয়সী মেয়ে যাঁরা অল্প বয়সেই বিয়ে করে অন্তঃস্বত্বা তাঁদের পুষ্টিকর খাবার, ফ্রি হেলথ চেকআপের ব্যবস্থা করা হয়.তনুজ ভোকেশনাল ট্রেনিং সোসাইটিতে। গাইনোকোলজিস্ট জয়তী পাল এই বিষয়ে পাশে থাকেন অর্পিতা ও অনুশ্রীর। এছাড়াও, ভাইরোলজিস্ট সুমন পোদ্দার শিশুদের জন্য এখানে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প করেছেন।
এখান থেকে গাইডেন্স পেয়ে অনেকেই ফেসবুকে নিজেদের কেজ করে ব্যবসা করছে। মায়েরা তো স্বনির্ভর হচ্ছেই, সঙ্গে সুস্থ জীবন পাচ্ছে শিশুগুলো। দীপ, পায়েল , সুলোচনা বাউড়িরা রোজগার করছে। ফান্ড কম, তবু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অর্পিতা ও অনুশ্রী, শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে।
ছবি - বিজয়া দত্ত












