আজকাল ওয়েব ডেস্ক: কেশরের মতো উজ্জ্বল গায়ের রং'কথাটির মধ্যেই রয়েছে এক অদ্ভুত পরিতৃপ্তি। রান্না থেকে রূপচর্চায় কেশর থাকলে তার কদরই আলাদা হয়। বহুকাল আগে থেকেই রূপচর্চার উপাদানের মধ্যে অন্যতম ছিল এই কেশর। আদতে ফুলের রেনু এই উপাদানটির রয়েছে যেমন উজ্জ্বল রং ও সুমিষ্ট গন্ধ। জাফরান অনেক ধরনের প্রসাধনী পণ্যে ব্যবহৃত হয়। আপনার ত্বককে তারুণ্য দেখানো থেকে শুরু করে ময়শ্চারাইজ করা পর্যন্ত, জাফরান অনেক উপকার দেয়। এটি ত্বক সংক্রান্ত অনেক সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।জাফরান ব্যবহার করে অনেক ধরনের ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। কিন্তু আর হাতে গোনা চারদিন পর দূর্গাপূজো, এখন ফেস প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করার সময় নেই। কিন্তু ত্বকের দাগ ছোপ দূর করবেন কিভাবে, পুজোর সময় নিজেকে সকলের থেকে একটু হলেও তো আলাদা হতেই হবে।
তবে চিন্তা নেই। চটজলদি রূপের বাহার ফেরাতে খান এই পানীয়টি। উপকরণও খুবই সামান্য। একটি গ্লাসে জাফরান বা কেশরের কয়েকটি টুকরো ফেলে দিন।তার মধ্যে এক গ্লাস মাপের উষ্ণ গরম জল ঢেলে দিন।চামচ দিয়ে আলতো করে নেড়ে দিন। এভাবে সারা রাত ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিন এই কেশর জল।
মাত্র সাতদিনে আপনার ত্বকে হওয়া অসামান্য পরিবর্তন দেখে আপনার সঙ্গে বাকিরাও নিশ্চিতভাবে চমকে যাবে।
আবার আগেরদিন রাতে দুধে কয়েক টুকরো কেশর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ওর সঙ্গে এক চামচ মধু আর মুলতানি মাটি মিশিয়ে ভাল করে মুখে মাখুন। শুকিয়ে গেলে ইষদুষ্ণ গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে কোমল ও উজ্জ্বল।
কেশরে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি এবং ক্যারোটিনয়েডস যা ত্বকের যত্নে অসম্ভব কার্যকরী। শুষ্ক ত্বককে হাইড্রেট রাখে এবং সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না।ত্বক করে মসৃণ ও সুন্দর।












