তীর্থঙ্কর দাস: মঙ্গলবার দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ৮৫ হাজার টাকা অনুদানের কথা ঘোষণা করেছেন। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গাপুজো কমিটির কাছে গেল কলকাতা পুলিশের নোটিশ। বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলেই পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। 

২০২৩ সালে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের থিম ছিল রাম মন্দির। মন্দির দেখার জন্য উৎসাহিত দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ২০২৩ সালে। মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবারের বৈঠকে বলেছেন, কোনও দুর্গাপুজোর জন্য যেন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে। তিনি আরও জানিয়েছেন প্রবেশ এবং বাহিরের পথ বড় রাখতে হবে। যেন কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে মানুষকে বের করে আনা সম্ভব হয়।

দর্শনার্থীদের জন্য ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এবছর তা জানতে চেয়ে চিঠি গেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গাপুজো কমিটির কাছে। ২০২৪ সালের সন্তোষ মিত্র স্কয়ারের থিম 'দ্য স্পিয়ার'। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে মণ্ডপের সামনে মাঝামাঝি অংশে পুলিশের জন্য একটি বিশেষ মঞ্চ করার কথা যাতে সেখান থেকে সব দিক নজরদারি চালানো যায়। ভিড়ের সময় ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে কম করে ২৫০ জন ও ভিড় না থাকলে ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। ৩৬ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর কথাও বলে হয়েছে। গত বছর ১৪ টি সিসিটিভি ছিল। সরু গলি দিয়ে বের করার ক্ষেত্রেও খানিক আপত্তি আছে পুলিশের। বাইরে দোকান দেওয়া যাবে না। পাশের মাঠে মেলায় নাগর দোলনা জাতীয় কিছু বসানো যাবেনা।

আজকাল ডট ইন-কে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের অন্যতম উদ্যোক্তা সজল ঘোষ জানিয়েছেন, 'এই বছরের পুজো নজর কাড়তে চলেছে বঙ্গবাসীর। ইতিমধ্যেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের থিমের কথা আমি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছি, যা ভাইরাল'। সাধারণ মানুষের কোনওরকম অসুবিধের মুখে পড়তে হবে না বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা তথা সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা সজল ঘোষ। নেতাজি ইন্ডোরে দুর্গা পুজো কমিটিগুলো নিয়ে বৈঠক থেকে চলতি বছর ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদান ঘোষণা করেন। তবে সেই সঙ্গেই পুলিশকে সতর্ক করে বড় পুজো গুলোর আয়োজনে বাড়তি নজর দিতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।