আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'কারোর পৌষমাস, কারোর সর্বনাশ।' বাংলায় এই প্রবাদটি লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটলস ম্যাচের ক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য। সোমবার সন্ধেয় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম সন্তানের জন্মের সুখবর দেন কেএল রাহুল এবং আথিয়া শেঠি। তাঁদের কোল আলো করে এসেছে শিশুকন্যা। একই দিন, মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আইপিএলে নিজের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ব্যর্থতার সম্মুখীন হলেন ঋষভ পন্থ। ফিরলেন শূন্যতে। লখনউয়ের হয়ে নিজের পুরোনো দলের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচে ডাহা ফ্লপ তারকা ক্রিকেটার। খাতাই খুলতে পারেননি। ছয় বল ক্রিজে টেকেন। কুলদীপ যাদবের বলে ফাফ ডু'প্লেসির হাতে ধরা পড়েন। প্রথম পাঁচ বলে রান পাননি। চাপ বাড়ছিল। ছয় নম্বর বলে বড় শট খেলার চেষ্টা করেন। লং অফে ডু'প্লেসির হাতে ধরা পড়েন। লখনউয়ের জার্সিতে অভিষেক সুখকর হল না পন্থের। 

অনেক আশা, সখ নিয়ে ভারতীয় তারকাকে দলে নেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। গত বছরের অধিনায়ক কেএল রাহুলকে ছেঁটে ফেলে পন্থের জন্য ঝাঁপান কলকাতার শিল্পপতি। মেগা নিলামে তাঁর জন্য দর হাঁকাতে থাকেন। যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ২৭ কোটিতে। রেকর্ড অঙ্কে তারকা ক্রিকেটারকে কেনে লখনউ। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি প্লেয়ার। তবে এদিন মাঠে তার প্রভাব পড়েনি। হতাশ করেন ঋষভ। গাড়ি দুর্ঘটনার পর গতবছর আইপিএল দিয়েই বাইশ গজে প্রত্যাবর্তন ঘটে পন্থের। ফিরেই নজর কাড়েন। যার ফলে সুযোগ পান টি-২০ বিশ্বকাপের দলেও। কিন্তু কোটিপতি লিগে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা মনপসন্দ হল না। তবে তার জন্য খুব বেশি খেসারত দিতে হয়নি লখনউ সুপার জায়ান্টসকে। মিচেল মার্শ এবং নিকোলাস পুরানের কাঁধে ভর করে নির্ধারিত ওভারের শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তোলে লখনউ। ৭২ করেন মার্শ, ৭৫ রান পুরানের।