আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৪ পিটিফাইভ। বলা হচ্ছে এটাই এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় চাঁদ। নাম মিনি-মুন। গত কয়েকদিন ধরে এই মিনি মুন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। দক্ষিণ আফ্রিকার সাদারল্যান্ডে গ্রহাণু টেরেস্ট্রিয়াল-ইমপ্যাক্ট লাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেম ৭ আগস্ট পৃথিবীর কক্ষপথের এই গ্রহাণুর খোঁজ পায়। এই মিনি মুনের আয়তন কত? জানা যাচ্ছে এর ব্যাস প্রায় ১০ মিটার অর্থাৎ ৩৩ ফুট। ২৯ সেপ্টেম্বর এটি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করেছে। নিজের রাস্তায় চলতে চলতে, সে এসেছে পৃথিবীর কক্ষপথে, নির্দিষ্ট সময় পড়ে, ফিরে যাবে আবার।
কিন্তু নতুন গ্রহাণু, মিনি-মুন, ২০২৪ পিটিফাইভ নিয়ে আগ্রহের কারণ কী? মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গ্রহাণুর খোঁজ মেলার কারণে আগ্রহ বাড়ছে সেখান থেকে বহুমূল্য দ্রব্যাদির খোঁজের। বেশকিছু বেসরকারি সংস্থা উদ্যোগ-বিষয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে বলেও জানা গিয়েছে।
কিন্তু আচমকা এই খোঁজের কারণ? মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, বেশকিছু গ্রহাণু কেবল পাথর দিয়ে তৈরি হলেও, একাধিক গ্রহাণুতে প্ল্যাটিনাম, সোনা, নিকেল, কোবাল্টের মতো বহুমূল্য ধাতুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বহু গ্রহাণুর গঠন যে আদতে বিশ্বের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে, সেই সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা তুঙ্গে।
তবে প্রক্রিয়া কেমন হয় গ্রহাণু খননের? সেই প্রক্রিয়া কি সহজ? ড্যানো মনে করেন, গ্রহাণু খননের প্রক্রিয়া কঠিন এবং বেশ চ্যালেঞ্জের। কেন? কারণ হিসেবে প্রথমেই আসে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের বিষয়। তারপরেও মহাকাশ যাত্রা-সহ একগুচ্ছ কারণ থেকে থাকে এই বিষয়ে।












