আজকাল ওয়েবডেস্ক: গতির বহর আগুনের মত। ঘন্টায় গতিবেগ ১৬০ কিলোমিটার। দিল্লি থেকে মীরাট পৌঁছনো যাবে মাত্র ৬০ মিনিটে। সর্বোচ্চ গতি নিয়ে দেশে সবচেয়ে দ্রুত গতির ট্রেনের তকমা পেল নমো ভারত ট্রেন। পূর্ব দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশের মীরাট পর্যন্ত চলা এই ট্রেনের জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ করিডর, যার দৈর্ঘ্য ৫৫ কিমি।
এর আগে, ২০১৬ সালে চালু হওয়া গতিমান এক্সপ্রেস ছিল দেশের প্রথম আধা-উচ্চ গতির ট্রেন, যা বিশেষভাবে নির্মিত ট্র্যাকে হজরত নিজামুদ্দিন এবং আগ্রার মধ্যে ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলাচল করত। পরে, যখন আধা-উচ্চ গতির ট্রেন সিরিজ বন্দে ভারত চালু করা হয়েছিল, তখন এই ট্রেনও একই সর্বোচ্চ গতিতে চলাচল করেছিল, তবে কেবল এই রুটে।
তবে, কোনও কারণ উল্লেখ না করেই রেলপথ মন্ত্রক ২০২৪ সালের ২৪ জুন, গতিমান এক্সপ্রেস ও বন্দে ভারতের গতি ১৬০ থেকে কমিয়ে প্রতি ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার করার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে, ভারতীয় রেল নেটওয়ার্কে সব ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিসীমা প্রতি ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। ফলে নমো ভারত ট্রেনই হয়ে উঠল দেশের দ্রুততম ট্রেন।
পূর্ব দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশের মীরাট পর্যন্ত পথের আপাতত ৫৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই করিডরে শুরু হয়ে ট্রেন চলাচল। যা আগামী দিনের করিডরের সঙ্গেই চলবে ৮২.১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। পূর্ব দিল্লির নিউ অশোক নগর এবং উত্তর প্রদেশের দক্ষিণ মিরাটের মধ্যে চলাচলকারী নমো ভারতের মোট ১৬টি স্টেশন রয়েছে। এই রুটের ১১টি স্টেশনের মধ্যে কয়েক সেকেন্ডের জন্য সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলে।
জাতীয় রাজধানী আঞ্চলিক পরিবহন কর্পোরেশন লিমিটেড (এনসিআরটিসিএল) এর কর্মকর্তারা বলেছেন, "দিল্লির সরাই কালে খান থেকে উত্তর প্রদেশের মোদিপুরম পর্যন্ত ১৬টি স্টেশন-সহ ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ করিডোরটি শীঘ্রই চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
এনসিআরটিসি-এর তরফে একটি প্রেস নোটে বলা হয়েছে যে, পুরো করিডোরটি চালু হয়ে গেলে, তা দিল্লিকে ঐতিহাসিক শহর মিরাটের প্রাণকেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত করবে, যেখানে নমো ভারত ট্রেনগুলি এক ঘন্টারও কম সময়ে দূরত্ব অতিক্রম করবে, এবং সমস্ত এনরোস্ট স্টেশনে থামবে।
২০২৩ সাল থেকে দেশের ১৭টি সেকশনে নমো ভারত ট্রেন চালাচ্ছে ভারতীয় রেল। সাধারণ জন্য দ্রুত নিজের গন্তব্যে পৌঁছতে ব্য়বহার হয়ে থাকে এই ট্রেনটি।
আরও পড়ুন- পুজোর আগে সুরাপ্রেমীদের মাথায় হাত! দেশি থেকে বিদেশি মদের হুড়হুড়িয়ে বাড়বে দাম?












