আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেখা মেলে শুধু কুম্ভেই। জীবন যেন রহস্যের চাদরে ঢাকা। সঠিক যাপন-চিত্র জানেন না কেউ, কিন্তু জানার আগ্রহ, জীবন নিয়ে জল্পনা অনেক। কেমন তাঁদের জীবন যাত্রা, কেনই বা ওই নামে ডাকা হয়?
কথা হচ্ছে অঘোরী সাধুদের নিয়ে। প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক মেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে তাঁদের ভিডিও। পুনরায় প্রশ্ন উঠছে তাঁদের নিয়ে। কেউ কেউ তাঁদের তান্ত্রিক মনে করে বেশকিছুটা ভয়ও পান, কেউ অবাক হয়ে তাকান।
পুরান অনুযায়ী, অঘোর সম্প্রদায়ের আবির্ভাব শিবের কারণেই। এই অঘোর শব্দের অর্থ আবার নির্ভিক। যাঁরা শিবের উপাসনা করেন তাঁদের অঘোরী বলা হয়ে থাকে। বলা হয়ে থাকে, অঘোরী সাধুরা থাকেন মূলত শ্মশানে। উপাসনা করেন শিব এবং শৈবের। অঘোরী সাধুরা শক্তির উগ্র রূপ কালীর উপাসনা করেন বলেও জানা যায়। জানা যায়, অঘোরীরা একটি অদ্বৈতবাদী দর্শন অনুসরণ করেন, যা বলে যে মহাবিশ্বের সবকিছু এক এবং ব্রহ্ম থেকে উদ্ভূত। তাঁরা বিশ্বাস করেন, প্রতিটি ব্যক্তির আত্মা হল শিব- যা ব্রহ্মের সর্বোচ্চ প্রকাশ।
প্রয়াশই অঘোরী সাধুদের সঙ্গে খুলি বহন করতে দেখা যায়, কথিত তেমনটাই। স্বল্পবাস এই সাধুদের শরীর থাকে ছাই মাখা, গলায় থাকে রুদ্রাক্ষের মালা। তাঁদের জীবন যাপন নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই, তাঁদের উপস্থিতিই ভয় ধরায় সাধারণের মনে।
