আজকাল ওয়েবডেস্ক: গুজরাটের পর, রাজস্থান। জুনের পর জুলাই। ফের বিমান দুর্ঘটনা। মৃত্যু, হাহাকার। বুধবার ভেঙে পড়ল বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট। রাজস্থানের চুরু জেলায় এই বিমানটি আকাশ থেকে মাটিতে পড়ে বিকট শব্দে, পড়েই টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ঘটনার পরই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয় স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দল।ইয়দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই বিমান চালকের।

 

জাগুয়ার, বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট। মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস, পাঁচ মাসে এই নিয়ে তিনবার একই ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে দ্য জাগুয়ার জেট। কেন বারবার এই ফাইটার জেট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে? 

আরও পড়ুন: রাজস্থানে ভয়াবহ বিমান দু্র্ঘটনা, ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার ফাইটার জেট

৭ মার্চ, একটি অ্যাংলো-ফরাসি SEPECAT জাগুয়ার গ্রাউন্ড অ্যাটাক ফাইটার বিমান নিয়মিত অভিযানের সময় আম্বালার কাছে ভেঙে পড়ে। সেই সময়, পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। 

 

ঠিক এক মাস পর, ৩ এপ্রিল, গুজরাটের জামনগরে আরেকটি জাগুয়ার জেট বিধ্বস্ত হয়। বিমানের একটি গুরুতর কারিগরি ত্রুটির কারণে পাইলট, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সিদ্ধার্থ যাদবের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে সহকর্মী পাইলটকেও বিমান থেকে বের করে দিয়েছিলেন, এবং বিমানটিকে তিনি চেষ্টা করেছিলেন ঘন জনবসতিপুর্ণ এলাকা থেকে যতটা সম্ভব দূরে উড়িয়ে নিয়ে যয়ায়ার জন্য। তার পরে ফের জুলাইয়ের শুরুতেই ভেঙে পড়ল ফাইটার জেট।

 

বারবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ার কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করে, এগুলির বয়স প্রধান অন্তরায়। জাগুয়ার জেটগুলি ১৯৭৯ সালে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ভারতীয় বিমান বাহিনীই এই নিম্ন-উড়ন্ত যুদ্ধবিমানগুলির একমাত্র অপারেটর - যার বেশিরভাগই ফ্রান্সের ব্রেগুয়েট এবং ব্রিটিশ বিমান কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগ SEPECAT থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আওতায় হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) দ্বারা লাইসেন্স-নির্মিত। ফ্রান্স, ব্রিটেন, নাইজেরিয়াও আগে এই ধরনের ফাইটার জেট ব্যবহার করত।