আজকাল ওয়েবডেস্ক: এখনও পর্যন্ত অভিশপ্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের ব্ল্যাক বক্সের কোনও হদিশ মেলেনি। সেটি যদি পাওয়া যেত তাহলে সেখান থেকে প্রচুর তথ্য সামনে চলে আসত। কীভাবে এই বিমান দুর্ঘটনা হয়েছিল সেটি জানা যেত অতি সহজেই। 


ইতিমধ্যেই এই বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে ২৬৫ জন মানুষ। শুক্রবারই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। আহতদের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে সেই ব্যক্তির সঙ্গে যিনি এই দুর্ঘটনা থেকেও প্রাণে বেঁচেছেন। 


তবে শুক্রবার মিলেছে বিমানের ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডারটি। সেটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে মিলেছে। ফলে যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্ল্যাক বক্স মিলছে তার আগে এটি একটি বিরাট প্রাপ্তি বলেই মনে করছেন সকলে। এখান থেকে এবার কোন নতুন তথ্য সামনে আসে সেটাই এবার দেখার।


আহমেদাবাদের মেঘানিনগরে ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই১৭১ বিমান। যেটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ছিল। বিমানের যাত্রীদের মধ্যে মাত্র এক জন আশ্চর্যরকম ভাবে বেঁচে গিয়েছেন। বাকি সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। বিমানবন্দরের নিকটবর্তী ডাক্তারদের একটি হস্টেল ভবনে গিয়ে ধাক্কা মারে বিমানটি। যার ফলে হস্টেল এবং তার আশপাশেও অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।  


আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের বাইরে ঘটে যাওয়া এআই১৭১ বিমান দুর্ঘটনার শেষ মুহূর্তের দুটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ, বিমানযাত্রী এবং কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই দুর্ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বেশ কয়েকজন দক্ষ পাইলট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্নও তুলেছেন।


বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির ইঞ্জিনে ত্রুটি ছিল। ভেঙে পড়ার আগে সর্বোচ্চ ৩২২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিতে পৌঁছতে পেরেছিল। যা স্বাভাবিক নয়। ওই সময়ে বিমানের গতি আরও অনেক বেশি হওয়ার কথা। কোনও কারণে বিমানের ইঞ্জিন শক্তি হারিয়ে ফেলে। তার ফলে দুর্ঘটনা অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।


এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট আগামী বছর ১২ জুনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। সেই রিপোর্টেই বোঝা যাবে দুর্ঘটনার আসল কারণ। যদিও বিশেষজ্ঞদের মত, ভিডিও দু’টি বিমান দুর্ঘটনার অনেক তথ্য দিয়েছে।