গুজরাটের বিখ্যাত ভানতারা সাফারিতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। আধুনিক অনলাইন বুকিং পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই টিকিট কাটতে পারছেন দর্শনার্থীরা।
2
8
ভিজিটের তারিখ, সময় ও দর্শনার্থীর সংখ্যা নির্বাচন করে অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করলেই বুকিং নিশ্চিত। বুকিংয়ের পর এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে মিলছে প্রবেশের অনুমতি।
3
8
এই গাইডেড সাফারিতে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার সফরে দেখা মিলছে এশিয়াটিক সিংহ, চিতাবাঘ, দলবদ্ধ হাতি, বানর, কচ্ছপ, রঙিন পাখি ও উদ্ধারপ্রাপ্ত সরীসৃপের।
4
8
সাফারির বিশেষ আকর্ষণ হলো সকালবেলার সেশন, যখন প্রাণীরা সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে।
5
8
পর্যটকদের সুবিধার্থে গাড়ি থামে নির্দিষ্ট কিছু স্থানে, যাতে প্রাণীদের আরও কাছ থেকে দেখা যায়।
6
8
তবে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে কিছু নিয়ম—চিৎকার, ফ্ল্যাশ ফটোগ্রাফি, খাবার খাওয়ানো কিংবা প্রাণীদের উত্ত্যক্ত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। গাইডের নির্দেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
7
8
ভানতারা শুধু একটি সাফারি নয়, এটি একটি পুনর্বাসনকেন্দ্র, যেখানে প্রাণীদের প্রশিক্ষণ নয় বরং সম্মানজনকভাবে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রকৃতি ও পশুপ্রেমীদের জন্য এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
8
8
বিশেষভাবে নির্মিত প্রশস্ত ও সুরক্ষিত পরিবেশে এই প্রাণীরা বাস করছে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত জীবনযাপনে।