পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ন'টি জঙ্গি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ভারত। অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘাঁটিগুলিকে। হামলার জন্য ভারতের পছন্দের অস্ত্র ছিল স্ক্যাল্প ক্রজ মিসাইল এবং হ্যামার।
2
11
পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল লস্কর-ই তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিন সহ অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের ঘাঁটিগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়া। সেনার তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, হামলার লক্ষ্য কোনও পাক সামরিক ঘাঁটি ছিল না।
3
11
স্ক্যাল্প ক্রুজ ‘স্টর্ম শ্যাডো’ নামেও পরিচিত। স্ক্যাল্প হল দূরপাল্লার আকাশ থেকে মাটিতে আঘাত হানার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর পাল্লা ৪৫০ কিমি পর্যন্ত।
4
11
১৩০০ কেজি ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৪০০ কেজি বিস্ফোরক বহন করে। ৫.১ মিটার লম্বা এবং ৬৩০ মিলিমিটার পুরু এই ক্ষেপণাস্ত্রে একটি বিশেষ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়।
5
11
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি রাফাল, ইউরোফাইটার টাইফুন, মিরাজ ২০০০ এবং মিগের মতো যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে নিক্ষেপ করা হয়ে থাকে।
6
11
নিখুঁত ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে হানার জন্য তিন ধরনের নেভিগেশন সিস্টেম রয়েছে। রাশিয়ার মাটিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য ইউক্রেনও একই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।
7
11
বেশ কয়েকটি প্রতিরক্ষা ও সংবাদ সূত্রের মতে, প্রতি স্ক্যাল্প ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ প্রায় ১০ লক্ষ ডলার। ব্রিটেন এবং ফ্রান্স ২০২৩ সালে এক একটি স্ক্যাল্প ক্রজ ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ২০ লক্ষ পাউন্ড খরচ করেছিল।
8
11
দ্বিতীয় যে অস্ত্রটি জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সেটি হল হাইলি অ্যাজাইল মডুলার মিউনিশন এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ বা হ্যামার।
9
11
ফরাসি সংস্থা সাফরান ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিফেন্স এটি তৈরি করেছে। মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে ভূমিতে আঘাত করার ক্ষেপণাস্ত্র এটি।
10
11
এই বোমাটি জ্যামার দ্বারা প্রভাবিত হয় না। রুক্ষ ভূখণ্ডের উপর দিয়ে কম উচ্চতা থেকে নিক্ষেপ করা যেতে পারে। এটিকে আটকানো কঠিন এবং সুরক্ষিত ভাবে যে কোনও ভেদ করতে পারে বলেই এটি এত কার্যকর।
11
11
এর ওজন ১২৫ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি পর্যন্ত হতে পারে। জিপিএস, ইনফ্রারেড ইমেজিং এবং লেজার টার্গেটিং থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর লক্ষ্যবস্তুতে আছড়ে পড়ে হ্যামার।