ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মধ্যে অবশ্যই অন্যতম শুল্ক-নীতি। একাধিক দেশের উপর ব্যাপক হারে শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি।
2
8
নিশানায় সবার উপরে চীন। অতি সাম্প্রতিককালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন থেকে আমদানিকৃত দ্রব্যের উপর আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। আর তাতে মাঝখান থেকে লাভ হয়েছে একটি মুসলিম দেশের। তথ্য তেমনটাই।
3
8
তার আগে বলা যাক, চীনের কী সিদ্ধান্ত? কেনই বা লাভ হবে এসবে অন্য দেশের? চীন বৃহস্পতিবার বৈদ্যুতিক গাড়ি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারি প্রযুক্তির রপ্তানিতে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির রপ্তানি সীমিত করা হবে। এই ব্যাটারিগুলোই বিশ্বের বেশিরভাগ ইলেকট্রিক যানবাহন (EV)-এর মূল শক্তির উৎস।
4
8
চীন বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ রেয়ার আর্থ উপাদান প্রক্রিয়াজাত করে, যা স্মার্টফোন, সোলার প্যানেল, চিপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স তৈরির জন্য অপরিহার্য। এতদিন ধরে এই রেয়ার আর্থ উপাদানগুলির রপ্তানিতে আংশিক সীমাবদ্ধতা ছিল, তবে বৃহস্পতিবার থেকে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কঠোর নীতি কার্যকর করেছে।
5
8
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানিগুলোকে এমনকি অল্প পরিমাণ রেয়ার আর্থ রপ্তানির ক্ষেত্রেও চীনা সরকারের অনুমতি নিতে হবে। তাদের জানাতে হবে কেন এবং কী উদ্দেশ্যে তারা এই উপকরণ আমদানি করতে চায়। একইসঙ্গে, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং গ্রাফাইট রপ্তানির ওপরও একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। গ্রাফাইট হল ব্যাটারি উৎপাদনে অপরিহার্য একটি কাঁচামাল, যার বড় অংশই চীনে উৎপাদিত হয়।
6
8
তবে, এটি মনে রাখা দরকার, যে আফগানিস্তানই একমাত্র দেশ যা চীনের একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতে পারে। কারণ, বহুদিনের জল্পনা, আফগানিস্তানে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়ামের মজুদ রয়েছে।
7
8
এসবের মাঝেই ভারতে এসেছেন আফগান বিদেশমন্ত্রী। আমির খান মুত্তাকি ভারতকে দেশটির খনিজ খাতে বিনিয়োগের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ওয়াঘা সীমান্ত খুলে দেওয়ার জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এটিকে দুই দেশের মধ্যে দ্রুততম বাণিজ্য রুট হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
8
8
বর্তমানে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টের উপর একচেটিয়া বাজার চীনের। কিন্তু তাদের কঠোর বাণিজ্য-নীতির মাঝেই আফগান মন্ত্রীর ভারতের কাছে সাহায্য চাওয়ার বিষয়ে তা নিয়েই জোর চর্চা।