সংবাদসংস্থা মুম্বই: ঘুরতে গিয়ে হোটেল থেকে সামান্য প্রসাধনী লুকিয়ে ব্যাগে পুরে নিয়ে আসেন অনেক আম আদমি। সেইসবের বেশিরভাগই হয়তো হয় স্নানঘরের নিরীহ প্রসাধনী। কিন্তু সাধারণের পাশাপাশি বলিপাড়ার তারকারাও যে একই স্বভাবদোষে দুষ্ট তা কি জানতেন? সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে নিজের কীর্তি ফাঁস করেছেন খোদ জাহ্নবী কাপুর।
সাক্ষাৎকার চলাকালীন জাহ্নবীকে প্রশ্ন করা হয় তিনি কোনওদিন কোনও হোটেল থেকে না বলে কোনও জিনিস সরিয়েছেন কি না? লাজুক হেসে বলি-অভিনেত্রীর জবাব, "কখনও কখনও"। এরপরেই তাঁর সংযোজন,"আমি একাধিক হোটেল থেকে বালিশ নিয়ে এসেছি। আসলে, বেড়ানোর সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাড়ি থেকে আমি বালিশ বহন করি না। সব শেষে হোটেল থেকে বেরোনোর সময় খেয়াল হয় বেশ লম্বা সময় ধরে ফ্লাইটে থাকতে হবে। তখন উপায় না দেখে হোটেলে নিজের কামরা থেকেই বালিশটা চুপিসাড়ে নিয়ে নিই, যাতে ফ্লাইটে ঘুমোতে অসুবিধে না হয়।"
এরপর সাক্ষাৎকারের ফাঁকে জাহ্নবী আরও জানান, ছোটবেলায় না বুঝে এক আধবার দোকান থেকেও জিনিসপত্র লোপাট করে দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, " তখন আমি বেশ ছোট্ট। মা-বাবার সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গিয়েছি। সম্ভবত একটি ডিজনি স্টোরে ঢুকেছিলাম। সেই দোকানে থেকে একটা রঙচঙে ক্যান্ডি পছন্দ হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে তুলে নিই। এবং তা করতে সেই দোকানের কোনও কর্মচারীও আমাকে দেখেতে পাননি। ততক্ষণে মা-বাবা দোকানের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। আমিও আনন্দে ছুটতে ছুটতে তাঁদেরকে ওই জিনিসটি দেখিয়ে বলি, এটা আমি নিয়ে এসেছি আর তার জন্য কোনও কিছু দিতে হয়নি। শোনামাত্রই আমাকে চোর বলে উঠেছিলেন মা-বাবা!"
কথাশেষে অবশ্য জাহ্নবী জানাতে ভোলেননি যে তখন তিনি এতটাই ছোট ছিলেন যে সেই সময়ে টাকার বিনিময় বিষয়টি তাঁর কাছে ওতটাও পরিস্কার ছিল না।
সাক্ষাৎকার চলাকালীন জাহ্নবীকে প্রশ্ন করা হয় তিনি কোনওদিন কোনও হোটেল থেকে না বলে কোনও জিনিস সরিয়েছেন কি না? লাজুক হেসে বলি-অভিনেত্রীর জবাব, "কখনও কখনও"। এরপরেই তাঁর সংযোজন,"আমি একাধিক হোটেল থেকে বালিশ নিয়ে এসেছি। আসলে, বেড়ানোর সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাড়ি থেকে আমি বালিশ বহন করি না। সব শেষে হোটেল থেকে বেরোনোর সময় খেয়াল হয় বেশ লম্বা সময় ধরে ফ্লাইটে থাকতে হবে। তখন উপায় না দেখে হোটেলে নিজের কামরা থেকেই বালিশটা চুপিসাড়ে নিয়ে নিই, যাতে ফ্লাইটে ঘুমোতে অসুবিধে না হয়।"
এরপর সাক্ষাৎকারের ফাঁকে জাহ্নবী আরও জানান, ছোটবেলায় না বুঝে এক আধবার দোকান থেকেও জিনিসপত্র লোপাট করে দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, " তখন আমি বেশ ছোট্ট। মা-বাবার সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গিয়েছি। সম্ভবত একটি ডিজনি স্টোরে ঢুকেছিলাম। সেই দোকানে থেকে একটা রঙচঙে ক্যান্ডি পছন্দ হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে তুলে নিই। এবং তা করতে সেই দোকানের কোনও কর্মচারীও আমাকে দেখেতে পাননি। ততক্ষণে মা-বাবা দোকানের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। আমিও আনন্দে ছুটতে ছুটতে তাঁদেরকে ওই জিনিসটি দেখিয়ে বলি, এটা আমি নিয়ে এসেছি আর তার জন্য কোনও কিছু দিতে হয়নি। শোনামাত্রই আমাকে চোর বলে উঠেছিলেন মা-বাবা!"
কথাশেষে অবশ্য জাহ্নবী জানাতে ভোলেননি যে তখন তিনি এতটাই ছোট ছিলেন যে সেই সময়ে টাকার বিনিময় বিষয়টি তাঁর কাছে ওতটাও পরিস্কার ছিল না।











