সান বাংলার ‘মঙ্গলময়ী মা শীতলা’-র গল্পে এবার বড়সড় অদল বদল ঘটতে চলেছে। গল্প ১২ বছর এগিয়ে যাচ্ছে। ছোট শীতলা এখন বড় হয়ে গিয়েছে। এতদিন ছোট শীতলার ভূমিকায় অভিনয় করছিলেন শুভশ্রী চক্রবর্তী। এবার বড় শীতলার ভূমিকায় দেখা যাবে দীপান্বিতা রক্ষিতকে। দীপান্বিতা এর আগে স্টার জলসার 'তুঁতে' ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
শীতলার গল্পে আসছে বড় চমক। বড় শীতলা যে মানবী রূপে এসেছে গ্রামবাসী তা জানে না। এই গ্রামে শিবের পুজো হয়। শীতলা ধীরে ধীরে মহামায়ার আরাধনা শুরু করে। এতে গ্রামবাসীরা বিরোধিতা করে। রোষ ঠেকাতে শীতলার দেবীত্ব ক্রমশ প্রকাশ পায়। গ্রামবাসীরা নানা রকম অলৌকিকতা দেখতে পায় শীতলার মধ্যে। গ্রামের এক ছোট বাচ্চাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে মানবরূপী শীতলা।
দেবীর ভূমিকায় কেমন প্রস্ততি নিচ্ছেন দীপান্বিতা? অভিনেত্রীর কথায় ‘’এই প্রথম কোনও মাইথোলজিক্যাল চরিত্রে অভিনয় করছি। শীতলাকে আমি দেবী হিসাবেই জানি। কিন্তু মা শীতলাকে নিয়ে তেমন কোনও পৌরাণিক গল্প আমার জানা নেই। তাই পরিচালকের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হবে। আসলে এই ধরনের চরিত্র থেকে এতদিন একটু পালিয়েই বেড়াতাম। পৌরাণিক চরিত্রে সাজগোজের একটা বিশেষ ভূমিকা আছে। অত সাজগোজ একদমই ভাল লাগে না। কিন্তু শীতলা করতে রাজি হলাম কারণ, শীতলাকে এখানে মানবীরূপে দেখা যাবে।সাজগোজের বহর নেই! আস্তে আস্তে শীতলার দেবীত্ব ফুটে উঠবে। আশাকরি প্রতিদিন কাজ করতে করতে সেই ভাব ফুটিয়ে তুলতে পারব।‘’
শীতলার গল্পে আসছে বড় চমক। বড় শীতলা যে মানবী রূপে এসেছে গ্রামবাসী তা জানে না। এই গ্রামে শিবের পুজো হয়। শীতলা ধীরে ধীরে মহামায়ার আরাধনা শুরু করে। এতে গ্রামবাসীরা বিরোধিতা করে। রোষ ঠেকাতে শীতলার দেবীত্ব ক্রমশ প্রকাশ পায়। গ্রামবাসীরা নানা রকম অলৌকিকতা দেখতে পায় শীতলার মধ্যে। গ্রামের এক ছোট বাচ্চাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে মানবরূপী শীতলা।
দেবীর ভূমিকায় কেমন প্রস্ততি নিচ্ছেন দীপান্বিতা? অভিনেত্রীর কথায় ‘’এই প্রথম কোনও মাইথোলজিক্যাল চরিত্রে অভিনয় করছি। শীতলাকে আমি দেবী হিসাবেই জানি। কিন্তু মা শীতলাকে নিয়ে তেমন কোনও পৌরাণিক গল্প আমার জানা নেই। তাই পরিচালকের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হবে। আসলে এই ধরনের চরিত্র থেকে এতদিন একটু পালিয়েই বেড়াতাম। পৌরাণিক চরিত্রে সাজগোজের একটা বিশেষ ভূমিকা আছে। অত সাজগোজ একদমই ভাল লাগে না। কিন্তু শীতলা করতে রাজি হলাম কারণ, শীতলাকে এখানে মানবীরূপে দেখা যাবে।সাজগোজের বহর নেই! আস্তে আস্তে শীতলার দেবীত্ব ফুটে উঠবে। আশাকরি প্রতিদিন কাজ করতে করতে সেই ভাব ফুটিয়ে তুলতে পারব।‘’











