আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাজেটে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে চাকুরিজীবিদের স্বস্তি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এ বার কি স্বস্তি দেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)? গাড়ি বাড়ির ঋণের হার কি কমবে? জানা যাবে শুক্রবার। বুধবার বৈঠকে বসেছে শীর্ষ ব্যাঙ্কের কেন্দ্রীয় মুদ্রানীতি কমিটি (মনিটারি পলিসি কমিটি বা এমপিসি)। বৈঠকের ফল কী হল তা জানা যাবে শুক্রবার। আরবিআইয়ের নতুন গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার এটি প্রথম এমপিসি বৈঠক।
এই বৈঠকেই নির্ধারিত হতে পারে রেপো রেট কমানো হবে কি না। আরবিআইয়ের সুদের হারকে রেপো রেট বলা হয়। দেশের সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে সুদের হারে ঋণ দিয়ে থাকে তাকেই রেপো রেট বলে। আর্থিক বিশ্লেষকদের অনুমান, সেখানে রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী হলে ঋণের কিস্তির পরিমাণ কমতে পারে।
বর্তমানে রেপো রেট ৬.৫ শতাংশ। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তা অপরিবর্তিত রয়েছে। ২০২০ সালের মে মাসে কোভিড অতিমারির সময় শেষ বার রেপো রেট কমানো হয়েছিল। আরবিআই রেপো রেট কমানোর সিদ্ধান্ত নেবে কি না তা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করছে। প্রথমত, মুদ্রাস্ফীতির হার শীর্ষ ব্যাঙ্কের সহনসীমা ৬.২ শতাংশের উপরেই রয়েছে। চলতি আর্থিক বছরের (পড়ুন ২০২৪-২৫) দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৫.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। টাকার দর ক্রমাগত পড়ছে। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আরবিআইয়ের সিদ্ধান্ত কি হতে চলেছে সেদিকেই রয়েছে নজর। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে শেয়ার বাজার প্রতিক্রিয়া জানাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক যদি সুদের হার কমায়, তাহলে ব্যবসা এবং ব্যক্তিদের জন্য ঋণের খরচ কমতে পারে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার সংসদে পেশ করা বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বার্ষিক ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে একটা টাকাও কর দিতে হবে না বলে ঘোষণা করেছেন। সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এই ছাড়ের পরিমাণ বছরে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।












